করোনার ভারতীয় ধরন দেশে এসেছে কিনা জানা যাবে শিগগির

‘ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করার পর যাদের করোনা পজেটিভ এসেছে তাদের নমুনা গ্রহণ করে জিনোম সিকোয়েন্সিং এর জন্য পাঠানো হয়েছে’

করোনাভাইরাসের শক্তিশালী ভারতীয় ধরনটি বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে কিনা তা চলমান অনুসন্ধানের ভিত্তিতে বাংলাদেশ সরকার খুব দ্রুত নিশ্চিত করতে পারবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

সোমবার (৩ মে) অধিদপ্তরের মুখপাত্র ডা. নাজমুল ইসলাম ভার্চুয়াল এক প্রেস ব্রিফিংয়ে বলেন, “বাংলাদেশে করোনার ভারতীয় ধরনটি প্রবেশ করেছে কিনা সে ব্যাপারটি আমরা কিছুদিনের মধ্যে নিশ্চিত করতে সক্ষম হব।”

তিনি আরও বলেন, “ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রবেশ করার পর যাদের করোনা পজেটিভ এসেছে তাদের নমুনা গ্রহণ করে জিনোম সিকোয়েন্সিং এর জন্য পাঠানো হয়েছে এবং রিপোর্ট আসলেই বিষয়টি জানানো হবে।”

এক প্রশ্নের উত্তরে নাজমুল বলেন, যারা ইতোমধ্যে অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন থেকে প্রথম ডোজ নিয়েছেন তারা অন্য যে কোনো কোম্পানির ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ নিতে পারবেন এবং এ ব্যাপারে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বা ভ্যাকসির উৎপাদনকারী কোম্পানিগুলোর কোনো নির্দেশনা নেই।

তিনি বলেন, অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিনের জন্য ১২ সপ্তাহ অপেক্ষা করতে হবে এবং আশা করছি এই সময়ের মধ্যে অক্সফোডের ভ্যাকসিন পাওয়া যাবে।

ডিজিএইচএস এর মুখপাত্র আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “বিশ্বব্যাপী করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে এক ধরনের কূটনৈতিক দৌরাত্ম লক্ষ্য করা যাচ্ছে। যদিও এটি আসলে মানবতার জয়গান। আমরা দেখে আসছি বাংলাদেশ এ ব্যাপারে বরাবরই সফল হয়ে আসছে। এবং এ কারণে আমরা আশা করতে পারি আমরা অক্সফোর্ডের দ্বিতীয় ডোজও পেয়ে যাব।”

যত দ্রুত সম্ভব চীন, রাশিয়াসহ বিভিন্ন উৎস হতে ভ্যাকসিন সংগ্রহের প্রক্রিয়া চলছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আশা করা হচ্ছে এ মাসে চীন থেকে করোনা ভ্যাকসিন পাওয়া যাবে।”

করোনা মোকাবিলায় ভ্যাকসিনের অনুপস্থিতিতে মাস্ক ব্যবহারই সর্বোত্তম পন্থা উল্লেখ করে বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় মাস্ক ব্যবহার এবং যথাযথ স্বাস্থ্য সুরক্ষা মেনে চলতে আহ্বান জানান নাজমুল হাসান।

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.