অশ্লীলতার বিরোধিতার জন্য অশ্লীল ছবির প্রচার করা কম অশ্লীল নয়

শাইখ আহমদুল্লাহ :

আলোচিত নায়িকা ইস্যুতে অনেকে অশ্লীল উক্তি করছেন। সন্দেহ নেই, তার লাইফ স্টাইল জঘন্য এবং এ ধরনের উচ্ছৃঙ্খল চলাফেরা সমাজ নষ্টের প্রধান কারণ। তাই বলে তাকে নিয়ে বাজে উক্তি করা মুসলমানের চরিত্র হতে পারে না।

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, মুমিন কখনো অশ্লীলভাষী, গালিবাজ ও কটু মন্তব্যকারী হয় না। (তিরমিযী, ১৯৭৭)
যারা তার অশ্লীল ও অর্ধনগ্ন ছবি পোস্ট বা কমেন্ট করে তার সম্পর্কে ধারণা দিতে চাইছেন, তারাও অশ্লীলতা বিস্তারকারী পাপিষ্ঠদের কাতারে পড়ে যাচ্ছেন।

অশ্লীলতার সমালোচনা হতে হবে শ্লীলভাবে। অন্যের ভুল ধরতে গিয়ে নিজে ভুল করা বুদ্ধিমান মানুষের কাজ হতে পারে না। মহান আল্লাহ বলেছেন-‘ভাল ও মন্দ সমান হতে পারে না। মন্দকে প্রতিহত কর তা দ্বারা যা উৎকৃষ্টতর’। (৪১:৩৪)

অশ্লীলতার বিরোধিতা করা অবশ্যই জরুরি। কিন্তু অশ্লীলতার বিরোধিতা করার জন্য অশ্লীল ছবির প্রচার করা কম অশ্লীল নয়। মুমিনের উচিত, এই ধরনের গর্হিত কাজ পরিহার করা।

আর যারা অশ্লীল ছবি , অশ্লীল ভিডিও , বেগানা নারীদের ছবি , শেয়ার করেন তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি । মহান আল্লাহ তা’আলা বলেন,
اِنَّ الَّذِیۡنَ یُحِبُّوۡنَ اَنۡ تَشِیۡعَ الۡفَاحِشَۃُ فِی الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡا لَہُمۡ عَذَابٌ اَلِیۡمٌ ۙ فِی الدُّنۡیَا وَ الۡاٰخِرَۃِ ؕ وَ اللّٰہُ یَعۡلَمُ وَ اَنۡتُمۡ لَا تَعۡلَمُوۡنَ
নিশ্চয় যারা এটা পছন্দ করে যে, মুমিনদের মধ্যে অশ্লীলতা ছড়িয়ে পড়ুক, তাদের জন্য দুনিয়া ও আখেরাতে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক আযাব। আর আল্লাহ জানেন এবং তোমরা জান না । (সুরা নূর, আয়াত ১৯)

Leave a Reply

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.