পদ্মা সেতু দৃশ্যমান, শরীয়তপুরবাসীর আনন্দ-উল্লাস

 পদ্মা সেতু দৃশ্যমান, শরীয়তপুরবাসীর আনন্দ-উল্লাস

পদ্মা সেতু পূর্ণাঙ্গ দৃশ্যমান হওয়ায় শরীয়তপুরে আনন্দ-উল্লাস করেছেন সর্বস্তরের মানুষ। জাজিরা প্রান্তে এক্সপ্রেস ওয়ের জিরো পয়েন্টে বেলুন উড়ানো, মোমবাতি প্রজ্জ্বলন ও আতশবাজির আয়োজন করা হয়। এই সেতু নিয়ে অনেক আশা-আকাঙ্ক্ষার কথা জানান সাধারণ মানুষ।
ঘন কুয়াশা, দেখা যায় না কিছুই, প্রকৌশলী ও শ্রমিকদের পণ; সবশেষ স্প্যান বসানো হবেই বৃহস্পতিবার। যখন শেষ স্প্যান বসানোর পর দৃশ্যমান স্বপ্নের পুরো সেতু। তখন উল্লাসে ফেটে পড়েন পদ্মার দুইপারের মানুষ।

জাজিরা প্রান্তে বিকেল থেকে শুরু হয় বিভিন্ন আনন্দ আয়োজন। শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন অপুর আয়োজনে প্রথমে ওড়ানো হয় শতশত বেলুন।

সন্ধ্যা নামতেই করা হয় মোমবাতি প্রজ্জ্বলন; সাথে ওড়ানো হয় ফানুসও। এরপরই শুরু হয় আয়োজনের মূল আকর্ষণ-আতশবাজি। মুহুর্মুহু আতশ ফোটানোয় আলোকিত হয় পদ্মার পাড়। এসব আয়োজন উপভোগ করেন হাজারো মানুষ।

এলাকাবাসী বলেন, পদ্মা সেতু পুরো দৃশ্যমান হওয়ায় আমরা যে কি আনান্দ তা ভাষায় প্রকাশ করতে পারবো না। শুধু আমি জাজিরা বাসী বলতে না সমগ্র দক্ষিণবঙ্গের মানুষ জননেত্রী শেখ হাসিনার কাছে চিরকৃতঘ্ন।

জাজিরা উপজেলা চেয়ারম্যান মোবারক আলী শিকদার বলেন, ‘পদ্মা সেতু চালুর পর এ অঞ্চলের মানুষের ভাগ্যের দুয়ার খুলে গেছে। বাংলাদেশের অর্থনীতি গতিশীল করতে অনবদ্য ভূমিকা রাখবে এই সেতু। আর এই সংযোগ বদলে দেবে পুরো দেশের শিল্পায়নের চিত্র।’

দ্রুত সময়ের মধ্যে পদ্মা সেতু চলাচলের উপযোগী করা হোক আশা স্থানীয়দের।

mimmahmud

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.