স্টাফ রিপোর্টার : তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন এবং বিশেষ ক্ষমতা আইনে দায়ের হওয়া মামলায় ২২ দিন কারাভোগের পর জামিনে মুক্তি পেয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আজ (সোমবার) সকাল ৭টায় চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে তাকে মুক্তি দেয়া হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার প্রশান্ত কুমার বণিক জাগো নিউজকে বলেন, ‘উচ্চ আদালত থেকে জামিন পেয়েছেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। গতকাল উচ্চ আদালতের জামিনের আদেশ হাতে পায় কারা কর্তৃপক্ষ। যাচাই-বাছাই শেষে আজ সকালে তাকে মুক্তি দেয়া হয়েছে।’

এর আগে গত ৪ আগস্ট রাতে আমীর খসরুর বিরুদ্ধে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের ৫৭(২) এবং বিশেষ ক্ষমতা আইনে নগরের কোতোয়ালী থানায় মামলা করেন চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক জাকারিয়া দস্তগীর। পরে আসামির আবেদনের প্রেক্ষিতে গত ৭ অক্টোবর পর্যন্ত ছয় সপ্তাহের জামিন মঞ্জুর করে আদালত।

পরে ৭ অক্টোবর আদালতে হাজির হয়ে তিনি জামিনের মেয়াদ বৃদ্ধির আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক আজ ২১ অক্টোবর পর্যন্ত তার জামিন মঞ্জুর করেছিলেন। এ ছাড়া নিম্ন আদালত থেকে মামলার নথিও পূর্ণাঙ্গ জামিন শুনানিতে উপস্থাপনের জন্য আদালত নির্দেশনা দেন। এরই ধারাবাহিকতায় ২১ অক্টোবর আদালতে হাজির হয়ে ফের জামিনের জন্য আবেদন করলে আদালত জামিন না মঞ্জুর করে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছিলেন। ইলেক্ট্রনিকস ডিভাইস ব্যবহারের মাধ্যমে রাষ্ট্রে নৈরাজ্য সৃষ্টির উদ্দেশ্যে তিনি উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়েছেন।

প্রসঙ্গত, গত ৪ আগস্ট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি অডিও ক্লিপ ভাইরাল হয়। এটি বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর বলে অভিযোগ উঠেছে। ওই অডিও ক্লিপে নিরাপদ সড়কের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন বেগবান করার বিষয়ে আলাপ হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.