নিজস্ব প্রতিবেদক : মঞ্জুলিকার বিয়ে হয় ১২-১৩ বছর বয়সে। কিন্তু বাসর রাতে স্বামী মারা গেলে বিধবা হয়েই দিন কাটে তার। সে একটি ছেলেকে ভালোবাসে। পাঁচ-ছয় বছর পর ছেলেটা ডাক্তার হয়ে গ্রামে ফেরে। কিন্তু ধর্মের দোহাই দিয়ে বাবা কিছুতেই মেয়ের বিয়ে দিতে রাজি হন না। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘নিষ্কৃতি’ কবিতার ছায়া অবলম্বনে এমই গল্পে নির্মিত হয়েছে একক ‘অতঃপর মঞ্জুলিকা’। নাটকে মঞ্জুলিকা চরিত্রে অভিনয় করলেন আইনুন পুতুল। এর নাট্যরূপ দিয়েছেন রাজীবুল আহসান ও পরিচালনা করেছেন শুভ্র আহমেদ।

রবি ঠাকুরের এই কবিতায় নারীর নিষ্কৃতির কথা বলা হয়েছে। তখনকার সময়ের একজন মেয়ে ও ২০১৮ সালের একজন মেয়ে। মাঝে দীর্ঘ সময়ের ব্যবধান। বদলে গেছে অনেক কিছু। সময় বদলালেও নারীদেরকে এখনো অন্তর্মুখী করে রাখা হয়েছে। দুই সময়ের নারীদের মুক্তির দুটি গল্প সমান্তরালভাবে এই নাটকে বলার চেষ্টা করা হয়েছে।

বর্তমান সময়ে নায়ক-নায়িকা নির্ভর বেশি নাটক নির্মিত হচ্ছে। বাবা-মায়ের চরিত্র নাই বললেই চলে। এ নাটকে বাবা-মায়ের চরিত্রগুলো মূখ্যভাবে উপস্থাপনার মাধ্যমে নাটকটির গল্প তৈরি করা হয়েছে বলেও জানান নির্মাতা। এ নাটকের গল্পে বাবার চরিত্রে অভিনয় করেছেন রাইসুল ইসলাম আসাদ এবং মায়ের চরিত্রে দেখা যাবে নাজনীন চুমকিকে।

নির্মাতা শুভ্র আহমেদ বলেন, ‘চিত্রনাট্য থেকে শুরু করে সব অভিনয়শিল্পীর কাজ খুবই ভালো হয়েছে। তখনকার সময় থেকে শুরু এখন অব্দি নারী মুক্তির কাহিনী নিয়েই কাজটি করেছি। আমি নাটকটি নিয়ে খুবই আশাবাদী। আশা করি, দর্শকদেরও ভালো লাগবে।’

এ নাটকে অভিনয় করেছেন রাইসুল ইসলাম আসাদ,নাজনীন চুমকি,আইনুন পুতুল ও রামিজ রাজু প্রমুখ। ‘নো ম্যানস ল্যান্ড’ প্রযোজিত এ নাটকটি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রয়াণ দিবসে উপলক্ষে একটি বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে প্রচারিত হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.