নিজস্ব প্রতিবেদক: ২০১৮ সালের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় দেশের ১০টি শিক্ষাবোর্ডে পাশের হার ৬৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ। এ ছাড়া মোট জিপিএ-৫ পেয়েছে ২৯ হাজার ২৬২ জন শিক্ষার্থী। গত বছরের তুলনায় পাসের হার ও জিপিএ-৫- দু’টোই কমেছে এ বছর। গত বছর মাদ্রাসা ও কারিগরিসহ ১০টি শিক্ষা বোর্ডে পাসের গড় হার ছিল ৬৮ দশমিক ৯১ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৩৭ হাজার ৯৬৯ জন।

বৃহস্পতিবার (১৯জুলাই) সকালে গণভবনে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ ও পরিসংখ্যান হস্তান্তর অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী এ তথ্য জানিয়েছেন।

শিক্ষামন্ত্রী জানান সারাদেশে পাস করেছে ৮ লাখ ৫৮ হাজার ৮০১ জন। ছেলেদের পাসের হার ৬৩ দশমিক ৮৮ শতাংশ, মেয়েদের পাসের হার ৬৯ দশমিক ৭২ শতাংশ।

এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৫৫ তম দিনে ফল প্রকাশ করা হলো জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান শিক্ষামন্ত্রী।

এর আগে, প্রথমে শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতে ফলাফলের সারসংক্ষেপ তুলে দেন। এরপর শিক্ষা বোর্ডগুলোর চেয়ারম্যানরা নিজ নিজ বোর্ডের ফলাফল প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেন। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব মো. নজিবুর রহমান অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগের শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী কাজী কেরামত আলী। স্বাগত বক্তব্য রাখেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব সোহরাব হোসাইন।

এ বছর সারাদেশের ২,৫৪১টি কেন্দ্রে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ১৩ লাখ ১১ হাজার ৪৫৭ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ৬ লাখ ৯২ হাজার ৭৩০ জন ছাত্র ও ৬ লাখ ১৮ হাজার ৭২৭ জন ছাত্রী। গত ২ এপ্রিল পরীক্ষা শুরু হয়। তত্ত্বীয় পরীক্ষা চলে ১৩ মে পর্যন্ত। ১৪ থেকে ২৩ মে’র মধ্যে অনুষ্ঠিত হয় ব্যবহারিক পরীক্ষা। এইচএসসিতে আটটি সাধারণ বোর্ডের অধীনে অংশ নেয় ১০ লাখ ৯২ হাজার ৬০৭ জন শিক্ষার্থী। আর মাদ্রাসা বোর্ডের অধীনে আলিমে ১ লাখ ১২৭ জন, কারিগরি বোর্ডের অধীনে এইচএসসি (বিএম)-এ ১ লাখ ১৭ হাজার ৭৫৪ জন ও ডিআইবিএসে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৯৬৯। এছাড়া বিদেশের সাতটি কেন্দ্রে ২৯৯ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। যার মধ্যে ১৫৯ জন ছাত্র ও ১৪০ জন ছাত্রী রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.