নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সক্ষমতা পূর্বের চেয়ে বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে দুর্যোগ-পূর্ব, দুর্যোগ-কালীন ও দুর্যোগ-পরবর্তী প্রস্তুতি আরও জোরদার করা প্রয়োজন বলে বলে মনে করে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ ব্যবসায়ী সংস্থা এফবিসিসিআই।

এফবিসিসিআইয়ের দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও রিলিফ বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন বক্তারা। আজ বৃহস্পতিবার  এফবিসিসিআই সম্মেলনকক্ষে এই সভার আয়োজন করা হয়।

সভায় ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ দেশের বিভিন্ন দুর্যোগের সময় দুর্যোগ-পূর্ব, দুর্যোগ-কালীন এবং দুর্যোগ পরবর্তী প্রস্তুতি, সচেতনতা তৈরি এবং দুর্যোগ মোকাবেলায় প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ বিষয়ে আলোচনা করেন।

বক্তারা বলেন, দুর্যোগপ্রবণ বাংলাদেশের বিভিন্ন দুর্যোগ মোকাবেলায় সরকার এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর সাফল্য প্রশংসনীয়। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় বাংলাদেশ এখন উন্নত বিশ্বের জন্যও একটি রোল মডেল। বিশেষ করে সম্প্রতি মিয়ানমার থেকে আসা কয়েক লাখ রোহিঙ্গা নাগরিককে আশ্রয় এবং অন্যান্য সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ বিশ্বজুড়ে এক প্রশংসনীয় মর্যাদা অর্জন করেছে।

আলোচকদের মতে বন্যা, ভূমিকম্প, ঘূর্ণিঝড়সহ অন্যান্য দুর্যোগ মোকাবেলায় আমাদের সামর্থ আরও বাড়ানো দরকার। সচেতনতা তৈরির সঙ্গে সঙ্গে দুর্যোগকালীন এবং দুর্যোগ পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় পর্যাপ্ত প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম (ইক্যুইপমেন্টস) এবং সেচ্ছাসেবকদের যথাযথ প্রশিক্ষণ প্রদান জরুরি বলে মনে করেন তারা।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের নিজস্ব বাজেট রাখা প্রয়োজন বলে মনে করেন তারা। এছাড়াও সভায় উপস্থিত সকলে ‘দুর্যোগ মোকাবেলা কর্মী’ হিসেবে কাজ করার ঘোষণা দেন।

সভায় সভাপতিত্ব করেন কমিটির চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল মামুন। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব প্রকৌশলী অজয় কুমার চক্রবর্তী এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক নুর হাসান আহমেদ সভায় অংশ নেন।

দেশের বিভিন্ন জেলা চেম্বার অব কমার্সের সভাপতিবৃন্দ সভায় প্রাণবন্ত আলোচনায় অংশ নেন। এফবিসিসিআই পরিচালক হাফেজ হারুণ অর রশিদ এবং ইউসুফ আশরাফও আলোচনায় অংশ নেন। এছাড়াও বিভিন্ন খাত থেকে আসা কমিটির বিপুল সংখ্যক সদস্য আলোচনায় অংশ নেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.