ডেস্ক : বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ভোটার তালিকায় নাম নেই। এছাড়া বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) কার্ডও নেই তার।

এ সম্পর্কে নির্বাচন কমিশন সচিব হেলালুদ্দীন আহমদ সাংবাদিকদের বলেন, ২০০৭-২০০৮ সালে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ছবিসহ ভোটার তালিকা প্রণয়ন করা হয়। সেসময় তারেক রহমান জেলে ছিলেন। তবে তার নাম ভোটার তালিকায় আন্তর্ভূক্ত হয়েছিল কিনা জানা নেই।

তবে ছবিসহ ভোটার তালিকা শুরুর সময় ইসি’র জনসংযোগ পরিচালকের দায়িত্বে থাকা এস এম আসাদুজ্জামান বুধবার সাংবাদিকদের জানান, ওই সময়ে তারেক রহমান ভোটার হননি। আর যেহেতু ভোটার তালিকায় নাম উঠেনি তাই, জাতীয় পরিচয়পত্রও পাননি।

২০০৮ সালের সেপ্টেম্বরে মুক্তি পাওয়ার পর তিনি লন্ডন চলে যান। সেসময় তিনি চাননি বলেই ভোটার তালিকায় নাম উঠেনি। তবে যোগ্য বাংলাদেশি যে কারও যে কোনো সময় ভোটার হওয়ার সুযোগ রয়েছে বলেও জানান তিনি।

এদিকে তারেক রহমান ভোটার না হলেও তার মা বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ২০০৮ সালের ২৯ নভেম্বর ক্যান্টনমেন্টের ঠিকানায় ভোটার হন।

এদিকে যুক্তরাজ্যে তারেক রহমানের জমা দেয়ার পাসপোর্টের একটি কপি দেখিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম বলেছেন, তার হিসেবে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এখন আর বাংলাদেশের নাগরিক নন।

তবে বিএনপি তা প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, তারেক রাজনৈতিক আশ্রয় লাভের জন্য তার পাসপোর্ট যুক্তরাজ্য সরকারকে জমা দিয়েছেন। তিনি বাংলাদেশের নাগরিকত্ব ছাড়েননি। তবে ভোটার হয়েছিলেন কি না এমন বিষয়ে বিএনপির পক্ষ থেকে এখনো কিছু জানানো হয়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.