গতকাল বৃহস্পতিবার এক বিবৃতিতে সুলিভান বলেন, যাদের মাতৃভাষা বাংলা, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে তাদের সবার জন্য নাচে-গানে, মেলা আর শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে বাংলার সমৃদ্ধ ইতিহাস ও সংস্কৃতি উদযাপনের একটি সুযোগ নিয়ে আসে পহেলা বৈশাখ। বাংলাদেশ, ভারতসহ বিশ্বের যেখানে যত মানুষ আজ নতুন বছরকে বরণ করে নিতে মিলিত হয়েছে, এই গুরুত্বপূর্ণ দিনে আমরাও তাদের সেই আনন্দে শামিল।

তিনি আরও বলেন এই সুযোগে আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসকারী বাংলাদেশিদের, যারা আমাদের দেশ, আমাদের অর্থনীতি আর সংস্কৃতিতে অসামান্য অবদান রেখে চলেছেন।

পাঁচশ বছর আগে মোঘল সম্রাট আকবরের আমলে খাজনা আদায়ের সুবিধার জন্য এই বর্ষপঞ্জির প্রবর্তন হয়েছিল। কালক্রমে বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন পহেলা বৈশাখ এখন বাঙালির সার্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে।

১৯৬৬ খ্রিস্টাব্দে বাংলা একাডেমির তরফ থেকে ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ্‌ এটি সংশোধন করেন। সংশোধনীতে বৈশাখ থেকে ভাদ্র মাস পর্যন্ত প্রতি মাস ৩১ দিনে, আশ্বিন থেকে চৈত্র মাস পর্যন্ত প্রতি মাস ৩০ দিনে এবং অধিবর্ষে ফাল্গুন মাস ৩১ দিনে হিসেব করার প্রস্তাব করা হয়। ১৯৮৭ সাল থেকে বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে এই বর্ষপঞ্জি গ্রহণ করে।

উল্লেখ্য, বাংলা ভাষাভাষীদের মূল উৎসব হলেও ভারত-পাকিস্তানের দুই পাঞ্জাবে শিখ মতাবলম্বীরাও পহেলা বৈশাখ উদযাপন করে থাকেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.