এমনটাই বলছেন রাজধানীর আমদানিকারকরা। রমজান মাসে মসলার দাম বাড়বে কি না তা নিয়ে আগাম কিছু জানাননি তারা।

পেঁয়াজ, রসুন ও আদার আমদানীকারক অসিম শাহ বলেন, পর্যাপ্ত মজুদ থাকায় পেঁয়াজের বাজারে কোনো পরিবর্তন আসবে না। তবে কিছুদিন থেকে দেশি রসুনের দাম উর্ধ্বমুখী। সপ্তাহের ব্যবধানে দেশী রসুনের দাম বেড়েছে কেজি প্রতি ৫ থেকে ১০ টাকা। আগামী সপ্তাহে আরও বাড়তে পারে রসুনের দাম।

শুক্রবার আদা, রসুন ও পেঁয়াজের সবচেয়ে বড় বাজার বলে খ্যাত রাজধানীর  শ্যামবাজার ঘুরে এ তথ্য পাওয়া যায়। মেসার্স আমানত ভান্ডার নামের আদা, রসুন ও পেঁয়াজের আড়তের মালিক জি. এস মানিক বলেন, রসুনের দাম বাড়তে পারে।

মানিক বলেন, কয়েক মাস আগে দেশের বাজারে পেঁয়াজের দাম ছিল আকাশ ছোঁয়া। মজুদ অপর্যাপ্ত থাকা ছিল পেঁয়াজের দাম বাড়ার প্রধান কারণ। এখন বাংলাদেশে উৎপাদিত ও ভারতীয় পেঁয়াজের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে। তাই অদূর ভবিষ্যতে পেঁয়াজের দাম বাড়ার সম্ভবনা নেই।

এদিকে রংপুর ও রাজশাহী জেলায় দেশী রসুন উৎপাদন শুরু হলেও এখনও সেগুলো বাজারে আসেনি। সঠিক মাত্রায় রোদে শুকিয়ে তারপর বাজারে ছাড়বে উৎপাদকরা। ফরিদপুরের যে শুকনা রসুন রয়েছে সেটার চাহিদা বেড়েছে এবং তার দামটাও বেশি।

শুক্রবার বাজারে আমদানি করা রসুনের দাম রয়েছে আগের মতই। দেশি রসুন ৪৫ থেকে ৫০ টাকা এবং চায়না থেকে আমদানি করা রসুন ৭৭ থেকে ৭৮ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে ।

আজকের পাইকারী বাজারে দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা কেজি দরে। এছাড়া মেহেরপুরের দেশি পেয়াজ ১৬ টাকা, কিং নামক দেশি পেঁয়াজ ২৫ থেকে ২৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আজকের বাজারে ৭০ থেকে ৭২ টাকায় বেচাকেনা চলছে আদা।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.