শরীয়তপুর প্রতিনিধি : শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলায় পদ্মা নদীর ওয়াপদা লঞ্চঘাটে পন্টুনের ছিঁড়ে তিনটি লঞ্চ ডুবে গেছে।এতে বেশ কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছে বলে জানা গেছে। আজ সোমবার সকাল ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

লঞ্চ তিনটি হল- মৌচাক-৪, মহানগরী, নড়িয়া-১।

নড়িয়া থানার ওসি সালাউদ্দিন বলেন, প্রচণ্ড বৃষ্টির মধ্যে হঠাৎ পন্টুনের রশি ছিঁড়ে নোঙর করে রাখা তিনটি লঞ্চ ডুবে যায়। এতে একজনকে উদ্ধার করা হলেও কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। নিখোঁজদের সংখ্যা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিসকর্মীরা উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন ওসি সালাউদ্দিন।

স্থানীয়রা জানায়, গতকাল রবিবার রাতে ঢাকা ও নারায়গঞ্জ থেকে ছেড়ে আসে এমভি মৌচাক-২ ও মহানগর নামে দুটি লঞ্চ। লঞ্চ দুটি আজ সোমবার ভোর সাড়ে চারটায় ওয়াবদা ঘাটে নোঙর করে। এ সময় অধিকাংশ যাত্রী নেমে যায়। এছাড়া নড়িয়া-২ নামে একটি লঞ্চ আগে থেকেই ঘাটে বাধা ছিল। ভোর ৫টার দিকে আকস্মিকভাবে পদ্মার পারের একটি বিড়াট অংশ নদীতে ভেঙে পড়ে। এ সময় পানির তোরে দুইটি লঞ্চ ঘটনাস্থলেই তলিয়ে যায়। এমভি মৌচাক লঞ্চটি উল্টে গিয়ে ভাসতে ভাসতে সুরেস্বরের দিকে চলে গেছে।

এ সময় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা লঞ্চে নড়িয়া উপজেলার লুনশিং গ্রামের মোহাম্মদ আলী নামে এক লোক তার স্ত্রী পারভীন বেগম (২৮), শাশুড়ি ফকরন বেগম (৫০), ৭ বছরের শিশু মাহিন ও নবজাতক শিশুকে লঞ্চ থেকে নামানোর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। স্থানীয়রা মোহাম্মদ আলীকে  উদ্ধার করে নড়িয়া উপজেলা স্থাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেছে। বাকিরা এখনো নিখোঁজ রয়েছে। লঞ্চগুলোর স্টাফদের পাশাপাশি আর কোনো যাত্রী ছিল কিনা তা এখনো জানা যায়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.