ডেস্ক : প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যে ভৌগোলিক কারণে বাংলাদশের মানুষ যেগুলোতে বেশি দুর্দশায় পড়ে সেগুলোর মধ্যে বন্যা অন্যতম। প্রতিবছর ছোটখাটো কিছু বন্যার চেহারা দেখলেই ১৯৮৮ ও ‘৯৮ এর  মতো বড় বন্যাও বাংলাদেশ মোকাবেলা করেছে। বাংলাদেশ ভাটি ও নদী অববাহিকা হওয়ার কারণে পানির চাপ বেশিই থাকে। অন্যদিকে পানি নদী বাহিত হয়ে বঙ্গোপসাগরে প্রবাহিত হওয়ায় ওই নদ-নদীর দু’কূল সব সময় বন্যার আশঙ্কায় থাকে।

বন্যার সময় আশ্রয় কেন্দ্রের গুরুত্ব অপরিসীম। একটি আশ্রয় কেন্দ্র হাজার হাজার মানুষের প্রাণ রক্ষা করতে পারে। শুধু তাই নয় এটা গবাদি পশুসহ সম্পদও রক্ষা করতে পারে। তাই বন্যা শুরু হওয়ার পর আশ্রয় কেন্দ্রে অবস্থান নেওয়ার সাথে সাথে আশ্রয় কেন্দ্রের জন্য কিছু করণীয় কাজ আছে।

আশ্রয় কেন্দ্রের ব্যবস্থাপনা থেকে শুরু অন্যের সুবিধা-অসুবিধাগুলো দেখাশোনা করা, অসুস্থদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করা, গর্ভবতী নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের বিশেষ ব্যবস্থাপনা করা এই রকম অনেক কাজ রয়েছে।

কাজেই জেনে রাখুন আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানকালীন সময়ে কি করা উচিত-

১) বন্যার সময়ে জরুরী ভিত্তিতে আশ্রয় কেন্দ্রের সঠিক ব্যবস্থাপনার জন্য আশ্রয়কেন্দ্র পরিচালনা কমিটির সভা আয়োজন এবং সমস্যা চিহ্নিত করে সমাধানের দায়-দায়িত্ব বন্টন করা।

২) বন্যাকালীন সময় কোনো আশ্রয়কেন্দ্রে ভাঙ্গন দেখা দিলে সামাজিক ভাবে সে ভাঙ্গন প্রতিরোধ করা।

৩) আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানের ক্ষেত্রে নারী, শিশু, বয়স্ক, অসুস্থ এবং পঙ্গুদেরকে প্রাধান্য দিতে হবে।

৪) মনে রাখতে হবে শুধু মাত্র জীবন ও সম্পদ বাঁচানোর জন্য বন্যার সময়ে আমরা আশ্রয়কেন্দ্র ব্যবহার করে থাকি, তাই বন্যার পানি নেমে যাওয়ার সাথে সাথে আমাদের নিজের বাড়িতে ফিরে যাওয়া উচিত।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.