ডেস্ক : কোন রকম কর্তন ছাড়াই সেন্সর সনদ পেয়েছে সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত ছবি ‘ছিটকিনি’ (রেস্ট ইজ সাইলেন্স)। ৭ আগস্ট ছবিটির সেন্সর ছারপত্র দেয় সেন্সর বোর্ড।

যোজনা প্রোডাকশনস ও ইমপ্রেস টেলিফিল্ম প্রযোজিত ছবিটি পরিচালনা করেছেন সাজেদুল আউয়াল। ২০১৩-১৪ অর্থবছরে সরকারী অনুদান পাওয়া এ ছবির কাহিনি ও চিত্রনাট্য লেখেছেন পরিচালক নিজেই।

সাজেদুল আউয়াল জানান,  এ ছবির কাহিনি শীতকালের। বেশ কয়েক বছর ধরে শীতকালে দীর্ঘ শুটিং হয়েছে। ১৯৮৩ সালে পঞ্চগড় রেলস্টেশনে গিয়েছিলেন তিনি। তখনই ‘ছিটকিনি’র চিত্রনাট্য লেখা হয়। এক অর্থে এটি তাঁর আত্মজৈবনিক কাহিনি।

পঞ্চগড় রেলস্টেশনের কর্মচারী কফিলের যক্ষ্মা হয়। কফিলের জন্য পাথরশ্রমিক ময়মুনার চরম ও নীরব আত্মত্যাগের মানবিক ঘটনা দেখানো হয়েছে ‘ছিটকিনি’তে।

সাজেদুল আউয়াল বলেন, মৈমনসিংহ গীতিকার ‘মলুয়া’ পালায় মলুয়ার চরিত্র যেভাবে চিত্রিত হয়েছে, ছিটকিনিতে ময়মুনার চরিত্র ঠিক উল্টোভাবে চিত্রিত হয়েছে। তাঁর মতে, চলচ্চিত্রে তিনি ‘উল্টোপালা’ রচনা করেছেন।

ছবিটিতে অভিনয় করেছেন রুনা খান, ভাস্বর বন্দ্যোপাধ্যায়, আমিনুর রহমান মুকুল, মানস বন্দ্যোপাধ্যায়, মাহমুদুল ইসলাম মিঠু, মুসতাগিসুর রহমান বাবু, রুবলী চৌধুরী, জহিরুজ্জামান, বাউল রইসউদ্দীন সরকার, সাজাহান বাউল, সরকার হায়দার, মোস্তাক, শিশুশিল্পী আপন। একটি অংশে ‘মলুয়া’ পালা পরিবেশন করেন কেন্দুয়ার পালাশিল্পী দিলু বয়াতি ও তাঁর দল।

পরিচালক তাঁর দুই অকালপ্রয়াত বন্ধু চলচ্চিত্রকার তারেক মাসুদ ও চিত্রগ্রাহক মিশুক মুনীরকে চলচ্চিত্রটি উৎসর্গ করেছেন।  শিগগিরই ছবিটি মুক্তি পাবে বলেও জানান তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.