ডেস্ক : বর্তমানে বিশ্বে ইন্টারনেটের গতির দিক থেকে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে এশিয়ার দেশ সিঙ্গাপুর। দেশটিতে ব্রডব্যান্ড ডাউনলোড স্পিড গড়ে ৫৫.১৩ মেগাবিট পার সেকেন্ড (এমবিপিএস)। আর বাংলাদেশের অবস্থান ১৪৪, বাংলাদেশের ব্রডব্যান্ড ডাউনলোড স্পিড গড়ে ১.৩৪ মেগাবিট পার সেকেন্ড (এমবিপিএস)। যুক্তরাজ্যের ক্যাবল নামের একটি প্রতিষ্ঠান সম্প্রতি প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

তথ্যপ্রযুক্তির অন্যতম অনুষঙ্গ হলো ইন্টারনেট। ইন্টারনেট ছাড়া বর্তমান সময়ে একটি দিন যেন কল্পনাই করা যায় না। তবে ইন্টারনেট শুধু থাকলেই হবে না, এর গতিও হওয়া চাই কাজ করার জন্য উপযোগী। ইন্টারনেটের গতি যত বেশি, এর কার্যকারিতাও তত বেশি।

বাংলাদেশ বাদে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সবার উপরে রয়েছে শ্রীলঙ্কা। শ্রীলঙ্কা ৩.৮৩ এমবিপিএস গতিতে ৮৫তম অবস্থানে রয়েছে। এছাড়া ভারত ২.০২ এমবিপিএস ইন্টারনেট গতিতে ১১৯তম, মালদ্বীপ ১.৬২ এমবিপিএস গতিতে ১৩০তম, নেপাল ০.৯৭ এমবিপিএস গতিতে ১৬৯তম এবং সবার শেষে পাকিস্তান ০.৯১ এমবিপিএস গতিতে ১৭১তম অবস্থানে।

তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে আছে সুইডেন, দেশটিতে ব্রডব্যান্ড ডাউনলোড স্পিড ৪০.১৬ এমবিপিএস। তৃতীয় অবস্থানে থাকা তাইওয়ানে গতি ৩৪.৪০ এমবিপিএস।

তালিকার শীর্ষ ৪০টি দেশের মধ্যে স্ক্যান্ডিনেভিয়া এবং উত্তর ইউরোপের দেশের সংখ্যাই বেশি। এর পাশাপাশি আছে এশিয়ার কয়েকটি দেশও। তালিকায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান ২১তম। দেশটিতে ব্রডব্যান্ডের গড় গতি ২০ এমবিপিএস। অন্যদিকে ১৬.৫১ এমবিপিএস গতি নিয়ে ৩১তম অবস্থানে আছে যুক্তরাজ্য।

তালিকার শীর্ষ দশে থাকা অন্য দেশগুলো হলো ডেনমার্ক (৩৩.৫৪ এমবিপিএস), নেদারল্যান্ড (৩৩.৫২ এমবিপিএস), লাটভিয়া (৩০.৩৬ এমবিপিএস), নরওয়ে (২৯.১৩ এমবিপিএস), বেলজিয়াম (২৭.৩৭ এমবিপিএস), হংকং (২৭.১৬ এমবিপিএস) এবং সুইজারল্যান্ড (২৬.৯৩ এমবিপিএস)।

বাংলাদেশের অব্যবহ্নত ইন্টারনেট বিদেশে রপ্তানি করলেও দেশের ইন্টারনেট গতি নিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহারকারিদের মধ্যে অসন্তোষ বহুদিনের।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.