ডেস্ক : গভীর সমুদ্রে জেলেদের জালে রূপালি ইলিশ ধরা দিতে শুরু করেছে। সাগর থেকে জেলেরা ট্রলারভর্তি ইলিশ নিয়ে ফিরছেন ঘাটে। রাত থেকে সকাল পর্যন্ত ঘাটে নোঙর করছে ট্রলারগুলো। সকালে ট্রলার থেকে ইলিশ নামানোর জন্য প্রস্তুত ঘাট শ্রমিক। কেউ ইলিশ মাছের ঝুড়ি টানছেন, কেউ প্যাকেট করছেন, কেউ প্যাকেট ট্রাকে তুলছেন। যেনো ক্রেতা-বিক্রাদের মিলন মেলা।

উপকূলের জেলা বরগুনার পাথরঘাটা বিএফডিসি মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রে দেখা গেছে এমই দৃশ্য দেখা গেছে গতকাল বৃহস্পতিবার। বাসসের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঘাটে সারিবদ্ধভাবে নোঙর করে আছে সাগর থেকে ফিরে আসা ইলিশ ভর্তি ট্রলার। সেখান থেকেই দেশের বিভিন্ন মোকামে ইলিশ রপ্তানি চলছে।

ওই দিন দেখা গেছে, গড়ে প্রতি মণ ইলিশ পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ১৪ হাজার টাকায়। অথচ সপ্তাহ খানেক আগেও একই ইলিশের দাম ছিল ২২ থেকে ২৫ হাজার টাকায়।

স্থানীয় জেলেদের ভাষ্য, চলতি বছরে ইলিশ মৌসুমের প্রথম দুই মাসে ইলিশের দেখা মেলেনি।  তাই ট্রলার মালিকসহ মৎস্য পেশার সঙ্গে জড়িত সবাই হতাশ হয়ে পড়ে ছিলেন। তবে সাগরে এখন প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ছে। জেলেপল্লীতে আনন্দের বাতাস বইছে।

কক্সবাজার থেকে পাথরঘাটায় আসা এফবি সাগর ২ নামের একটি ট্রলারের জেলে মহিউদ্দিন জানিয়েছেন, তারা ৭দিন সাগরে মাছ ধরেছেন।  এখন পর্যন্ত ২০ লাখ টাকার মাছ বিক্রি করেছেন।

চরদুয়ানী ইউনিয়নের আবু বকর মোল্লার এফবি লাকী ট্রলার ১৮০ মণ ইলিশ মাছ পেয়েছে। যা বিক্রি হয়েছে ৩০ লাখ ৫০ হাজার টাকায়। এটি এ বছরে এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ রেকর্ড।

পাথরঘাটা বিএফডিসি মৎস্য অবতরণ কেন্দ্রের হিসেব মতে বৃহস্পতিবার গড়ে প্রতি মণ ইলিশ পাইকারী বিক্রি হয়েছে ১০ থেকে ১৪ হাজার টাকার মধ্যে, এক সপ্তাহ আগেও দর ছিল ২২ থেকে ২৫ হাজার টাকা।

জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জানান, গত দুইদিন ধরে জেলেরা সাগর থেকে ইলিশ নিয়ে ফিরছেন। প্রথম দিকে রপ্তানি চাহিদা মেটানো হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.