নিজস্ব প্রতিবেদক : বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বিসিএস) পরীক্ষার আবেদনপত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) নম্বর দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হলেও এটি নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিব মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ্। বিসিএস আবেদন ফরমে এনআইডি নম্বর দেওয়া বাধ্যতামূলক করার বিষয়ে ৮ জুন সিদ্ধান্ত নেয় সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। যা ৩৮তম বিসিএস থেকে কার্যকর করা হবে বলে জানিয়েছিলেন পিএসসি চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিক।

২০ জুন ৩৮ তম বিসিএসের আবেদনের তারিখ ঘোষণা করে পিএসসি। এতে ১০ জুলাই থেকে ১০ আগস্ট পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।

এ বিষয়ে ইসি সচিব পরিবর্তন ডটকমকে জানান, যারা বিসিএস পরীক্ষা দেবে তাদের বেশিরভাগের বয়স ২৫ বছরের বেশি। তাই তাদের আবেদনের ক্ষেত্রে এনআইডি বাধা হবে না। কারণ তাদের বেশির ভাগের কাছেই এনআইডি আছে।

ভোটার হয়েছেন এমন প্রায় ১ কোটি ২০ লাখের মতো নাগরিকের হাতে কোনো এনআইডি নেই এসব নাগরিকেরা আবেদনের ক্ষেত্রে ভোগান্তিতে পড়বে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘যারা ভোটার হয়েছেন কিন্তু এখনো এনআইডি পাননি তাদের হাতে একটি প্রাপ্তি রশীদ আছে, সেটি সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাচন অফিসে গেলেই তাকে তার এনআইডি নম্বরসহ জাতীয় পরিচয় বিবরণী দিয়ে দেওয়া হবে। সেটি দিয়ে সে যেকোনো কাজ করতে পারবে। তাহলে তো আর তার কোনো সমস্যা থাকছে না।’

সচিব আরো জানান, একজন নাগরিকও যাতে এনআইডি সংক্রান্ত কোনো সমস্যায় না পড়েন তার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। তাছাড়া এনআইডি করতে লাগে মাত্র দশ দিন। যদি এমন হয় কেউ ভোটারই হয়নি সে ভোটার হয়ে যাবে। আর ভোটার হয়নি এ সংখ্যা খুবই সীমিত হবে। আবেদনের সময়তো আরো প্রায় দুই মাস আছে। তাই এ নিয়ে কোনো সমস্যা হবে না।

তাছাড়া যাদেরকে এখনো কোনো কার্ড দেওয়া হয়নি, আগামী ছয় মাসের মধ্যে তাদেরকে আপাতত লেমিনেটেড এনআইডি দেওয়া হবে বলেও জানান ইসি সচিব।

এবার বিসিএসে পরীক্ষার্থীরা বাংলা ও ইংরেজিতে উত্তর দেওয়ার সুযোগ পাবে। এছাড়া লিখিত পরীক্ষায় ৯০০ নম্বরের মধ্যে বাংলাদেশ বিষয়াবলীর মধ্যে আলাদা করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে ৫০ নম্বরের প্রশ্ন রাখা হবে বলেও জানিয়েছেন পিএসসি চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ সাদিক।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.