রাঙামাটি প্রতিনিধি : পর্যটন রাঙামাটির অর্থনৈতিক চালিকা শক্তির একটি প্রধান খাত। তবে পাহাড় ধসে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে রাঙ্গমাটির সব পর্যটন ব্যবস্থা। হোটেল-মোটেলের মালিকরা বলছেন, শহরের ঝুলন্ত ব্রিজ থেকে শুভলং ঝর্ণার সবগুলো রাস্তা ধসে যাওয়ায় পর্যটন এলাকাগুলোর দুরবস্থা তৈরি হয়েছে। এদিকে ঈদ উপলক্ষ্যে পর্যটনের জন্য আগাম বুকিং বাতিল করেছে পর্যটকরা। ফলে ব্যবসায় ধস নিয়ে চিন্তিত হোটেল মালিকরা।

প্রতিবছর দেশ-বিদেশ থেকে রাঙামাটির সৌন্দর্য্য উপভোগে আসে দেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পর্যটকরা। কাপ্তাই হৃদ, ঝুলন্ত ব্রিজ, রাজবাড়ী ও শুভলং ঝর্ণাসহ পর্যটন এলাকাগুলোতে সারা বছরেই পর্যটনের ভীড় থাকে। কিন্তু পাহাড় ধসের কারণে সেই চিত্র এখন পুরোপুরি পাল্টে গেছে। পর্যটন শূণ্য হয়ে পড়েছে রাঙ্গামাটির সবকয়টি স্পট।

স্থানীয়রা জানান, পাহাড় ধসের কারণে ক্ষতির মুখে পড়েছে পর্যটন ব্যবস্থা। আর রাস্তা ভেঙ্গে যাওয়ার কারণে পর্যটন এলাকাগুলোতে যাওয়ার মতো কোন ব্যবস্থাই নেই। এ সম্পর্কে স্থানীয় এক ব্যবসায়ী বলেন, ‘পাহাড় ধসে পড়ায় পর্যটকরা বেড়াতে আসছে না। তাই কোন বেচাকেনা নেই। পর্যটক আসলে আমাদের ব্যবসাও ভালো হয়। আমাদের একমাত্র উপার্জনের মাধ্যম এটি।’

এদিকে এমন অবস্থায় মাথায় হাত পড়েছে হোটেল-মোটেল ব্যবসায়ীদের। এ সম্পর্কে এক হোটেল ব্যবসায়ী বলেন, পাহাড় ধসের সাথে আমাদের হোটেল ব্যবসায়াও ধস পড়েছে। রাস্তা ভালো থাকলে হয়তো পর্যটক আসতো। যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন থাকলে আমাদের মত সব ধরনের হোটেল ব্যবসায়ীরা অনেক ক্ষতির মুখে পরবে।’

অন্যদিকে যোগাযোগ ব্যবস্থা দ্রুত সমাধানের জন্য কাজ করে যাচ্ছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। তবে সম্পূর্ণ কাজ শেষ হতে সময় লাগবে কম পক্ষে এক মাস।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.