রোজায় ক্লান্তি কাটাতে

 রোজায় ক্লান্তি কাটাতে

ডেস্ক : বিগত ৪০ বছরের মধ্যে এবারের রোজা সবচেয়ে বেশি সময়ের। তারপরে আবার গরমের সময় এখন। তাই এই রোজায় দীর্ঘ ১৬ ঘণ্টা সবরকম পানাহার থেকে বিরত থাকার কারণে দেহে অনেক ঘাটতি দেখা দিতে পারে। ফলে স্বাভাবিকভাবে একটু বেশিই ক্লান্ত হয়ে যায় আমাদের শরীর।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, সাধারণত তিন বেলা খাদ্য গ্রহণ করলেও রমজানে আমরা সেহরি ও ইফতার, এই দুই সময়ে খাদ্যগ্রহণ করে থাকি। রোজায় দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার ফলে রক্তে গ্লুকোজের পরিমাণ কমে যেতে পারে। ফলে দুর্বলতা, মাথাঘোরা, ক্লান্তি, মনোযোগ কমে যাওয়া, অল্পতেই ঘেমে যাওয়া, শরীরে কাঁপুনি, মাথাব্যথা, বুক ধড়ফড় করা প্রভৃতি উপসর্গ দেখা দিতে পারে।
রমজান মাসে আরেকটি সাধারণ সমস্যা হচ্ছে পরিপাকতন্ত্রের প্রদাহ। অনেকেরই পাকস্থলীতে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। পেট ব্যথা, ফাঁপা, জ্বালাপোড়া, বদহজম, গ্যাস হওয়া প্রভৃতি সমস্যা অনেকেরই ঘটে। সারাদিন অভুক্ত থেকে ইফতারের সময় অনেকেই অতিরিক্ত তেলেভাজা খাবার খান। এই অতিভোজনের কারণেও পেটে নানা সমস্যা দেখা দেয়। কারো কারো কোষ্ঠকাঠিন্যও হতে পারে।
তবে হ্যা, রমজান মাসে দু’বেলা খাবার গ্রহণ করে ১৬ ঘণ্টা রোজা পালনের মধ্য দিয়েও আপনি ক্লান্তিহীন থাকতে পারেন। এজন্য আপনাকে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার গ্রহণ করতে হবে। আর বর্জন করতে হবে তেলে ভাজা ও জাঙ্ক ফুড জাতীয় খাবার।
রমজানে সুস্থ থাকার জন্য বেশি করে শাকসবজি, ফলমূল, দুধ, খেজুর প্রভৃতি খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে এবং সেহেরি, ইফতার ও রাতের খাদ্যতালিকা হতে হবে স্বাস্থ্যসম্মত ও পুষ্টিকর। তবে হ্যা, যে বিষয়টা গুরুত্বপূর্ণ সেটা হলো পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে। কেননা, এ সময়ে শরীরে প্রচরি পানির ঘাটতি থাকে। এই স্বাভাবিক সচেতনতাই একজন রোজাদার ব্যক্তিকে সুস্থ রাখতে পারে।

mimmahmud

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.